নয়াউদারবাদী অর্থনীতির সংকটের মেঘ যে গোটা বিশ্বের আকাশে ঘনীভূত হতে শুরু করেছে তা হালের জি-২০ বৈঠক থেকেই স্পষ্ট। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র …
Short Articles
নয়াউদারবাদী অর্থনীতির সংকটের মেঘ যে গোটা বিশ্বের আকাশে ঘনীভূত হতে শুরু করেছে তা হালের জি-২০ বৈঠক থেকেই স্পষ্ট। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র …
বিনা মেঘে বজ্রপাতের মত কেন্দ্রের বিজেপি নেতৃত্বাধীন সরকার গত ৫ই অগস্ট জম্মু ও কাশ্মীরের উপর লাগু থাকা ৩৭০ এবং ৩৫(এ) …
সবথেকে বড় কথা যে রাজ্যগুলিতে বিজেপি এখনো ক্ষমতায় আসেনি সেই সব জায়গায় বিজেপি প্রবেশ করার সবথেকে বড় সুযোগ পেয়ে যাচ্ছে রাজ্যভিত্তিক আঞ্চলিক দলগুলির দুর্নীতি এবং জনবিরোধী কাজের জন্য। আঞ্চলিক দলগুলির দুর্নীতির বিরুদ্ধে মানুষের ক্ষোভকেই বারংবার পুঁজি করছে বিজেপি। আর তাতেই হচ্ছে বাজিমাৎ। এটাই আজ বিশ্বের সর্ববৃহৎ গণতন্ত্রের আসল ছবি।
কংগ্রেস-এনসিপি-কে রাজু শেট্টি রাজ ঠাকরে আর দলিতদের সঙ্গে হাত মেলানোর কথা বলছে। আর সিপিআই(এম) সেই দলিত পার্টিকেই সমর্থন করছে যারা এতিমধ্যেই আসাদুদ্দিনের সাথে মঞ্চ ভাগাভাগি করে এসেছে! এখন প্রশ্ন হল, দিন্দোরি আসনে কি এনসিপি প্রার্থী দাঁড় করাবে? আগেরবার বামপন্থীরা ২০টা আসনে লড়েছিল। এবারে কালওয়ান নিয়েই তাঁদের অবস্থান নিশ্চিত নয়। অর্থাৎ আবারও কি সেই বিজেপি বিরোধী মহা-“ঘোঁট”-এর সুইসাইডাল ফর্মুলা? জোটের নামে ঘোলাজলের রাজনীতিতে আবারও কি ফসল ঘরে তুলবে বিজেপি-শিবসেনা জোট?
বিগত আট বছরে ভারতে চিনির উৎপাদন বেড়েছে প্রায় ৮-৯%। অর্থাৎ উৎপাদন নয় বিক্রি করে ওঠাই যে মূল সমস্যা তা বলার অপেক্ষা রাখে না। কিন্তু এই সমস্যার উৎপত্তি কোথায় সেই প্রশ্ন থেকেই যায়। আই.এস.এম.এ.-এর একটি সমীক্ষায় দেখা গেছে চিনি প্রস্তুতকারক বৃহৎ সংস্থাগুলি (যেমন বলরামপুর চিনি মিলস্, ত্রিবেণী ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিস্, ডামিয়া ভারত সুগার অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিস্, ধামপুর সুগার মিলস্ ইত্যাদি) কিন্তু এই মন্দার বাজারেও বেশ ভালো পরিমাণ মুনাফা অর্জন করেছে। অন্যদিকে অধিকাংশ ছোট সংস্থাগুলি সরকারি সাহায্য পাওয়া সত্ত্বেও বাজারে পেরে উঠতে পারছে না। উত্তর প্রদেশেও এই চিনি সংকট দেখা দেওয়ায় মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ স্বীকার করে নিয়েছেন যে এ বছর দেশে রেকর্ড চিনি উৎপাদন সত্ত্বেও আন্তর্জাতিক বাজারে চিনির দাম পড়ে যাওয়ায় দেশের চিনি রপ্তানিতে ভাটা পড়ছে; তার জন্যই আখ চাষিদের এই দুরাবস্থা। উল্লেখ্য, মিল মালিকদের একটা বড় অংশ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সক্রিয় কর্মী। ভিট্টহাল ভিখে পাতিল সুগার কর্পোরেশানের মালিক রাধাকৃষ্ণ নিজে একজন কংগ্রেস নেতা। শরদ পাওয়ারের নিজেরই ব্রাজিলে একটি সুগার মিল রয়েছে। ফলে রাজনৈতিক চাপ কৃষকদের উপর আর্থিক দুরাবস্থার উৎসেচক হয়ে দাঁড়িয়েছে। সরকারি ঋণ পেয়েও যেখানে মিল মালিকরা হরি কীর্তন করতে ব্যস্ত, সেখানে বাজার অর্থনীতির বিষাক্ত ফলই কেবল বরাদ্দ রইল মাঠে আখ চাষ করতে থাকা অ্যাডামদের।
কখনও ‘উন্নয়ন’, কখনও ‘সৌন্দর্যায়ন’-এর নামে খেটে খাওয়া মানুষের পেটে লাথি মারা তৃণমূল সরকার কার্যত অভ্যাস করে ফেলেছে। পাহাড় প্রমাণ দুর্নীতি, সাধারন মানুষের বরাদ্দ টাকা আত্মসাৎ করে দিনের পর দিন পকেট ভরাচ্ছেন তৃণমূল নেতারা। আর সাধারন মানুষের প্রাপ্য সেই টাকারই ৪৫০ কোটি দিয়ে প্রশান্ত কিশোরকে উড়িয়ে আনা হয়েছে তৃণমূলের ২০২১ ভোট বৈতরণী পার করবার জন্য।
বেসরকারীকরনের খাঁড়া যে সব রাষ্ট্রায়াত্ত্ব সংস্থাগুলির উপর আসতে চলেছে সেই সারিতে একেবারে প্রথম দিকেই আসে ভারত সরকার অধিগৃহীত টেলিকম সংস্থা বিএসএনএল (ভারত সঞ্চার নিগম লিমিটেড)। ২০১৯ এর লোকসভা নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার আগে থেকেই ৪৫টি সরকারি ও আধাসরকারি সংস্থার বেসরকারিকরণের যে গুঞ্জন শোনা যাচ্ছিল তার মধ্যে বিএসএনএল একটি। সরকারিভাবে কোনো ঘোষণা না হলেও এই খবর ছড়িয়ে পড়ে সরকারি দপ্তরের ভেতর থেকেই।
শিক্ষক নিয়োগ হোক কিংবা নিযুক্ত শিক্ষকদের বেতন, কোনকিছুতেই মাথাব্যথা নেই রাজ্য সরকারের। শিক্ষা ব্যবস্থা এখন বিষ বাঁও জলে।
কোম্পানির তরফ থেকে মাথাপিছু দৈনিক মজুরি বরাদ্দ হয় ৪০০টাকা। কিন্তু শ্রমিকদের নসীব হয় মাত্র ২৭৮ টাকা। প্রাথমিকভাবে এর পরিমাণ ছিল মাত্র ২৫০টাকা। পূর্বে একাধিকবার বিক্ষোভ ও লাগাতার দাবীদাওয়ার ফলে তা বেড়ে ২৭৮টাকা হয়। বাকি টাকার হিসেবেই লুকিয়ে আছে এই ঠিকা কারবারের আসল গল্প।
নিজস্ব সংবাদদাতা, কাকদ্বীপঃ বর্ষা নামবে, আর এ রাজ্যের সাধারণ মানুষ বাজারে গিয়ে টাটকা ইলিশ পাবে না, তা কী হয়! তারপর আবার …