আন্তর্জাতিক শ্রমজীবী নারী দিবস, ২০২০ 

আন্তর্জাতিক শ্রমজীবী নারী  দিবস গোড়ার দিকে ছিল নারী শ্রমিকের ভোটাধিকার সহ সার্বিকভাবে সমতার লড়াইয়ের এক প্রতীক। আজ থেকে ১১২ বছর আগে ১৯০৮ সালের ৮ই মার্চ, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বস্ত্রশিল্পের ১৫ হাজার নারী শ্রমিক পথে নেমেছিল  ভোটাধিকার, সমকাজে পুরুষের সমান মজুরি এবং সুস্থ জীবনযাত্রার দাবীতে। পরবর্তীকালে জার্মান সমাজতন্ত্রী নেত্রীদ্বয় ক্লারা জেটকিন এবং লুইস জেইটসের প্রস্তাব মত ১৯১১ সাল থেকে দুনিয়ার শ্রমিকরা প্রত্যেক বছরের ৮ই মার্চ শোষক মালিক, শাসক রাষ্ট্র ও বৈষম্যের ওপর দাঁড়িয়ে থাকা সমাজব্যবস্থার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে শান দিতে আন্তর্জাতিক শ্রমজীবী নারী দিবস পালন করে চলেছে। বিপদের গন্ধ পেয়ে শাসককূল ৮ই মার্চের ভাষাকে ভোঁতা করে দিতে ১৯৭৫ সাল থেকে ওই দিনটিকে রাষ্ট্রসংঘের আন্তর্জাতিক নারী দিবস হিসেবে ঘোষণা করে। উদ্দেশ্য- শোষক-শাসক পরিবারের ও সমাজের মেয়েদের একই গোত্রে ফেলে দিয়ে গরীব, খেটে খাওয়া, শ্রমজীবী মেয়েদের সমস্যা ও চাহিদাগুলোকে পেছনের সারিতে পাঠিয়ে ওই দিনটাকে সাজগোজ, নাচগান, উৎসবের দিনে পরিণত করা। আন্তর্জাতিক নারী শ্রমিক দিবসের প্রকৃত উদ্দেশ্যের উত্তরাধিকার হিসেবে লড়াইয়ের মধ্যে দিয়ে অর্থনৈতিক শোষণ ও সামাজিক নিপীড়ন থেকে নারী ও প্রান্তিক লিঙ্গপরিচিতির মানুষদের মুক্তি, নারী-পুরুষ-প্রান্তিক লিঙ্গের মানুষের পূর্নাঙ্গ আইনগত ও প্রকৃত সমানাধিকার এবং লিঙ্গ নির্বিশেষে সমস্ত শ্রমজীবী মানুষের শ্রমদাসত্ব থেকে মুক্তিকে আমাদের লক্ষ্য হিসেবে ঘোষণা করতে হবে।

কিন্তু সত্যি কথাটা হল, আমাদের লক্ষ্য বাস্তবের থেকে এখনও অনেক দূরে। শেষ অর্ধশতাব্দী জুড়ে দেশে দেশে নারী এবং প্রান্তিক লিঙ্গের মানুষের সংগঠিত লড়াইয়ের ফলে আমাদের অনেক বক্তব্যই আজ সমাজ ও রাষ্ট্রের বিচারে মান্যতা পেলেও বাস্তব জীবনে তার প্রতিফলন ঘটে না, কখনও অতীতের চেয়েও খারাপ অবস্থার মুখোমুখি হতে হয় আমাদের। যৌন হিংসা দিন দিন বেড়েই চলেছে। বাসস্থান, কর্মক্ষেত্র, শিক্ষাক্ষেত্র, রাস্তা ঘাট কোথাও আজ মেয়েরা বা প্রান্তিক লিঙ্গের মানুষেরা সুরক্ষিত নয়। কাজ ও বিভিন্ন পেশায় আমাদের সংখ্যা বাড়ছে ঠিকই, কিন্তু মজুরির প্রশ্নে আজও পুরুষ শ্রমিকদের থেকে আমরা পিছিয়ে। সংসারের জন্য রোজগারের প্রয়োজনে বাইরের কাজ করলে কি হবে? বোঝার ওপর শাঁকের আঁটির মতো বাড়ির কাজও চেপে থাকছে আমাদের ওপর, যার জন্য কোনও সম্মান নেই। আড়াই দশকের বেশি সময় ধরে চলে আসা নয়াউদারবাদী অর্থনীতির প্রভাবে সামাজিক সুরক্ষা ও অন্যান্য কল্যাণকামী কার্যক্রম থেকে সরকার ক্রমশঃ হাত গুটিয়ে নিচ্ছে যা সম্প্রতি আরএসএস-বিজেপি-মোদির আমলে অসম্ভব গতি পেয়েছে। আমাদের দেশে নয়াউদারবাদের প্রবেশের ২৫ বছরে দেখা যাচ্ছে যে ধর্ষণের হার বেড়েছে ব্যাপক হারে। এর মধ্যে পরিচিতদের মধ্যেকার ধর্ষণের ঘটনাই ৬০-৭০%! একই সময়ে গার্হস্থ্য অত্যাচার বেড়েছে এবং বাড়ির বাইরে কাজে বের হওয়া ১০% কমেছে। এর কুপ্রভাব সমস্ত শ্রমজীবী মানুষের ওপর পড়ছে, মেয়েদের ওপর যা আরও কয়েকগুন বেশি। মিড-ডে-মিল, আশা, রেগার মতো প্রকল্পগুলো যেখানে মেয়েরা রোজগারের সুযোগ পায় সেগুলোকে গুটিয়ে ফেলার চক্রান্ত চলছে। প্রান্তিক লিঙ্গপরিচিতির মানুষেরা তো ওই সুযোগগুলো থেকেও কার্যত বঞ্চিত। এই সমস্ত বিপদের সঙ্গে নতুন উপসর্গ ধর্মান্ধতা, উগ্রজাতীয়তা, লাভ জিহাদের নামে চলাফেরার উপর নিষেধাজ্ঞা, পোশাক, ভালোবাসার অধিকারের ওপর নীতিপুলিশী আক্রমণ, যার মূল শিকার মেয়েরা এবং প্রান্তিক লিঙ্গের মানুষেরাই। কেন্দ্রের ‘উইমেন এম্পাওয়ারমেন্ট বিল’-এ কর্মসংস্থানের প্রসঙ্গটাই বাদ গেছে। বাকি সব গোল গোল কথা। 

কেন্দ্র ও রাজ্য সরকার নারী জাগরণের প্রসঙ্গে চোখ বন্ধ রাখাই শ্রেয় মনে করছে। বিশেষত আমাদের রাজ্যের সরকার এ বিষয়ে একদমই সংবেদনশীল নয়। তার কিছু দিক হল–

….. ‘কন্যাশ্রী’ প্রকল্প আসলে পূর্বতন বাম সরকারেরই একটি প্রকল্পের নাম পরিবর্তিত রূপ। পূর্বতন ছাত্রী পিছু ১২০০ টাকা বরাদ্দ কমিয়ে আদতে তা ৭৫০ টাকায় আনা হয়েছে। এই প্রকল্পের কে-২ গ্রান্ট বাবদ ১৮ বছরের মেয়েদের ২৫০০০ টাকা দেওয়ার পরিকল্পনা রাজ্যের ওই বয়সী মেয়েদের মোট জনসংখ্যার মাত্র ১.৫%-এর কাছে উপলব্ধ হয়েছে (তথ্য সরকারি ওয়েবসাইট থেকে)! তাছাড়া এই প্রকল্পের সুবিধা থেকে প্রতিবন্ধী মেয়েরা বঞ্চিত।

….. ‘রূপশ্রী’-র মতন ঘৃণ্য প্রকল্পের মাধ্যমে সরকারি মোড়কে ঘুরপথে পণপ্রথাকে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা হচ্ছে। “ন্যাশনাল ফ্যামিলি হেলথ সার্ভে-৪” অনুযায়ী ২০১৫-১৬ সালে পশ্চিমবঙ্গ নাবালিকা বিবাহের হারে দেশের প্রথম স্থান অধিকার করেছিল।  

….. রাজ্য জুড়ে নারী, শিশুকন্যা, প্রান্তিক লিঙ্গপরিচিতির মানুষেরা, মানসিক ও শারীরিক প্রতিবন্ধী নারী ও শিশুদের উপর বেড়ে চলা হিংসা নিয়ে কোনও হেলদোল নেই এই রাজ্য সরকারের। পার্ক-স্ট্রীট, কামদুনি, গেদে, গাইঘাটা, বারাসাত, ময়নাগুরির মত গণধর্ষণ কান্ডে সরকারের ধর্ষণকারীদের প্রতিই প্রচ্ছন্ন সমর্থন পরিলক্ষিত হয়েছে। বেশীরভাগ ক্ষেত্রে শাসক দলের কর্মীরাই প্রধান অভিযুক্তের তালিকায়। ২০১৫ সালে পশ্চিমবঙ্গ ধর্ষণের চেষ্টায় এবং মহিলাদের উপর গার্হস্থ্য আগ্রাসনের নিরিখে প্রথম স্থান অধিকার করেছিল।উল্লেখ্য, বিজেপি এদিক থেকে কোনও অংশে কম নয়। একদিকে চলছে দলিত মহিলাদের উপর উৎপীড়ন এবং অন্যদিকে উঠে আসছে কূলদীপ সেঙ্গারদের মত নেতাদের বিরুদ্ধে ধর্ষণ এবং কোর্টে সাক্ষী লোপাট করতে খুনের অভিযোগ। আমাদের রাজ্যের বিজেপি নেতৃত্বের তো এ বিষয়ে স্ট্যাটাসই আলাদা। একদা বিজেপি মহিলা মোর্চার সভানেত্রী জুহী চৌধুরী, কৈলাশ বিজয়বর্গীয় এবং রূপা গাঙ্গুলি তো নারী ও শিশু পাচার চক্রের সঙ্গে যুক্ত থাকায় অভিযুক্ত। 

বামপন্থী মহিলা সংগঠনগুলির থেকে কর্মসংস্থানের প্রশ্ন প্রাথমিক দাবী হিসেবে উঠে আসছে না। এ প্রসঙ্গে মহিলা সমিতিগুলির স্বনির্ভর প্রকল্পের দাবী রিলিফ ওয়ার্ক মাত্র। এই সংগঠনগুলি মূলত অরগানাইজড সেক্টারেই সীমাবদ্ধ। অসংগঠিত ক্ষেত্র মূলত অধরাই থেকে গেছে।

ফলে, আমাদের এই লড়াইয়ের কেন্দ্রে থাকবে কর্মসংস্থানের প্রশ্ন। তার সাথে থাকবে খাদ্য সুরক্ষা এবং স্বাস্থ্যের প্রশ্ন; পেশাক্ষেত্রে সমান মজুরী ও সুযোগের অধিকার, লিঙ্গপরিচিতি নির্ধারনের অধিকার, ভালবাসার অধিকার, সংগঠিত হওয়ার অধিকার এবং সর্বোপরি সমানাধিকার। তবেই আমরা জিতবো। সেই সংকল্প গ্রহণ করে পথে নামলে তবেই হবে আন্তর্জাতিক নারী শ্রমিক দিবস পালনের স্বার্থকতা।

মেহনতি নারী দিবসের কালপঞ্জিঃ 

১৮৫৭ঃ নিউ ইয়র্ক শহরে মহিলা বস্ত্রশিল্পীরা পুরুষদের সমান বেতনের দাবীতে বিক্ষোভ দেখাল
১৮৮৫ঃ অগাস্ট বেবেলের ‘নারীঃ অতীত, বর্তমান, ভবিষ্যতে’ বইটি প্রকাশিত হল১৯০৯ঃ আমেরিকার সোশ্যালিস্ট পার্টি ১৯০৮-এর আন্তর্জাতিক মহিলা বস্ত্রশিল্পী ইউনিয়নের ধর্মঘটের স্মরণে ‘নারী দিবস’ পালন করল
১৯১০ঃ জার্মান সমাজতন্ত্রী লুই জিটজ ও ক্লারা জেটকিন ‘আন্তর্জাতিক মেহনতি নারী দিবস’ পালনের ডাক দিলেন
১৯১৪ঃ ভোটাধিকারের দাবীতে লন্ডনে মহিলাদের ধর্মঘট চলাকালীন গ্রেপ্তার হলেন সিল্ভিয়া পাঙ্খুরস্ত
১৯১৭ঃ রাশিয়ার পেট্রোগ্রাডে মহিলা বস্ত্রশিল্পীরা ধর্মঘটের ডাক দিল; সূচনা হল রুশ বিপ্লবের
১৯১৯ঃ ভিয়েনায় প্যারি কমিউনের স্মরণে মহিলাদের মিছিল
১৯৭৭ঃ রাষ্ট্র সঙ্ঘ ‘আন্তর্জাতিক নারী দিবস’ পালনে স্বীকৃতি  

যে লক্ষ্য পূরণে আমাদের লড়াই জারি থাকবে —–

….. মজুরির ক্ষেত্রে বৈষম্য দূর, মহিলা এবং প্রান্তিক লিঙ্গপরিচিতির শ্রমজীবীদের পুরুষের সমান মজুরী নিশ্চিত করতে হবে।   

….. হিজড়ে ও কোতি সম্প্রদায়ের মানুষদের কর্মসংস্থানের অধিকার সুনিশ্চিত করতে হবে। 

….. নারী পুরুষ নির্বিশেষে সমস্ত শ্রমজীবীর নূন্যতম মজুরী, মিড ডে মিল রাঁধুনি, আশা শ্রমিক, অঙ্গনওয়ারি শ্রমিক, আইসিডিএস লিঙ্ক ওয়ার্কারদের মজুরীর পরিবর্তে ‘সাম্মানিক’ এর নামে কম টাকা দেওয়া বন্ধ করা এবং পঞ্চদশ আইএলসি-র সুপারিশ মেনে মাসিক ১৮০০০ টাকা মজুরী নির্ধারণ করতে হবে।  

….. খাদ্য (বিশেষ করে আয়োডিন, আয়রন এবং অ্যানিমাল প্রোটিন), স্বাস্থ্য, শিক্ষা, বাসস্থান, প্রসুতিকালীন এবং প্রসবোত্তর ছুটি ও ভাতা (সরকারী এবং বেসরকারী উভয় ক্ষেত্রেই), পেনশন ইত্যাদি সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে।  

….. কর্মস্থানে শিশু সন্তান-সন্ততিদের জন্য ক্রেশ এবং মহিলা ও প্রান্তিক লিঙ্গের মানুষের জন্য উপযুক্ত শৌচালয়ের ব্যবস্থা  করতে হবে। মহিলা হকারদের জন্য শৌচালয় ও ক্রেশের ব্যবস্থা করতে হবে।  

….. অসংগঠিত ক্ষেত্র সহ সমস্ত মহিলা শ্রমিকের সরকারী উদ্যোগে ইএসআই ধাঁচের স্বাস্থ্যবীমা ও পেনশনের দাবী করতে হবে।

….. সমস্ত আইন সভায় মহিলাদের ৪৮% এবং তৃতীয় লিঙ্গের মানুষদের জন্য ২% আসন সংরক্ষণ করতে হবে। সরকারী চাকরীতে মহিলাদের আসন সংরক্ষণ করতে হবে।

….. পুলিশ, বিচারক, আমলা, উকিল, ড্রাইভার, সিকিউরিটি গার্ডের মত কাজে মহিলাদের নিযুক্তির দাবী করতে হবে।   

….. সমবায় তৈরির মাধ্যমে গৃহপরিচারীকাদের আঞ্চলিক গার্হস্থ্য উৎপাদন পরিচালনার অধিকার দিতে হবে। 

….. যৌন হেনস্থা বন্ধের জন্য সক্রিয় পদক্ষেপ সহ কাজের পরিবেশকে নিরাপদ করা এবং নারী এবং প্রান্তিক লিঙ্গের মানুষদের উপর যৌনহিংসা বন্ধ করতে হবে। মহিলা পরিযায়ী শ্রমিকদের কর্মক্ষেত্রে সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে। 

….. কন্যা ভ্রূণ কিংবা কন্যা সন্তান হত্যা, ‘অনার কিলিং’, খাপ পঞ্চায়েত এবং পণ প্রথার মাধ্যমে নারী সমাজের উপর সকল প্রকার পিতৃতান্ত্রিক আগ্রাসন ও অত্যাচার বন্ধ করতে হবে।   

….. যৌনকর্মীদের অধিকাংশই নারী এবং তাদের সংখ্যা উল্লেখযোগ্য। তাদের ওপর নির্ভরশীল শিশু সন্তান-সন্ততিরাও অনেক সংখ্যায়। রাষ্ট্রের দায়িত্ব তাদের সামাজিক ও আর্থিকভাবে সম্মানজনক পুনর্বাসন করা। লোকদেখানো নয়, যতদিন তা বিধিবদ্ধভাবে, প্রকৃতপক্ষে এবং সার্বিকভাবে সুনিশ্চিত না হচ্ছে, ততদিন তাদের উপর মামলা দেওয়া বন্ধ রাখতে হবে।যৌনকর্মীদের উপর পুলিশি হয়রানি বন্ধ করতে হবে।  

….. প্রতিবন্ধী মহিলাদের জন্য রাইটস অফ পার্সনস অফ ডিসেবিলিটি অ্যাক্ট ও মেন্টাল হেলথ কেয়ার অ্যাক্ট অবিলম্বে রূপায়ন করতে হবে।

….. সরকারি উদ্যোগে মহিলাদের জন্য স্যানিটারি ন্যাপকিনের গণবন্টন ব্যবস্থা চালু করতে হবে।  

….. চাইল্ড লেবার অ্যামেন্ডমেন্ট অ্যাক্টের পরিবর্তন করতে হবে।

….. ট্রান্সজেন্ডার পারসেন্স (প্রটেকশান অফ রাইটস) আইন, ২০১৯ প্রত্যাহার করতে হবে।  

….. ধর্মকে ব্যবহার করে মানুষে মানুষে বিভেদের রাজনীতি পরাস্ত  করতে হবে। লাভ জিহাদের নামে মেয়েদের ভালবাসার অধিকারে হস্তক্ষেপ বন্ধ এবং সমস্ত ধর্মীয় উন্মাদনার বিরোধিতা করতে হবে।  

….. সমস্ত ধর্মীয় আইনে লিঙ্গসাম্য আনতে হবে, নারী উদ্ধারের মেকী ধুয়ো তুলে সংখ্যালঘুদের উপর আক্রমণ বন্ধ হোক।

….. পাচারকারী ও তাদের পিছনের ক্ষমতাশালী চক্রদের শাস্তি দেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে।  

….. এনআরসি বাতিল করতে হবে। অসাংবিধানিক সিএএ আইন প্রত্যাহার করতে হবে। এনপিআর চালু করা বন্ধ করতে হবে। (অসমে এনআরসি-র সময়ে সবচেয়ে বেশী হয়রানির সম্মুখীন হয়েছিলেন মহিলারা এবং হিজড়া সম্প্রদায়।)

প্রচ্ছদঃ দেবপ্রিয়া চক্রবর্তী  

Similar Posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *